খুব সহজে ওজন কমানোর উপায়

আপনি কি আপনার অতিরিক্ত ওজন নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তার মধ্যে আছেন? অনেক চেষ্টা করার পরও ওজন কমাতে পারছেন না। তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি একদম সম্পূর্ণ আপনার জন্য। আপনি হয়তোবা গুগলে অনেক ঘাঁটাঘাটি করেছেন যে খুব সহজে ওজন কমানোর উপায় এই বিষয়ে। কিন্তু সঠিক পদ্ধতি না জানার কারণে আপনি এখনো আপনার অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারছেন না। 
খুব সহজে ওজন কমানোর উপায়
আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা আপনাকে বলবো যে কিভাবে খুব সহজে ওজন কমানো যায়। তাই পুরো আর্টিকেলটি ভালোভাবে পড়ুন যাতে করে সহজে ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে আপনি সম্পূর্ণ ধারণা পান। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

পোস্টের সূচিপত্রঃ খুব সহজে ওজন কমানোর উপায়

ভূমিকা

আপনি হয়তোবা জানেন যে একজন মানুষের অতিরিক্ত ওজন তার জন্য কত বড় একটি বিরক্তিকর জিনিস। অতিরিক্ত ওজনের ফলে তারা ঠিকমতো মানুষের সামনে চলাফেরা করতে পারে না। তার কারণ হলো মানুষ তার অতিরিক্ত ওজন নিয়ে নানান ধরনের সমালোচনা করে। এছাড়াও অতিরিক্ত ওজনের কারণে শরীরের মধ্যে নানান ধরনের রোগ বাসা বাঁধে। অনেকে আবার একটি কাজ করেন যে দ্রুত ওজন কমানোর জন্য খাওয়া দাওয়া প্রায় একবারে বাদ দিয়ে দেয়।
কিন্তু এটি করলেও নানান ধরনের সমস্যার মধ্যে পড়তে হবে। এভাবে খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দিলে আবার শরীর দুর্বল হয়ে যেতে পারে। শরীরের ওজন কমানোর জন্য ভালো একটু উপায় হচ্ছে ডায়েট করা। আজকে আমি আপনাকে সহজে ওজন কমানোর সঠিক গাইডলাইন জানাবো। যাতে করে আপনি বিশেষ কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে আপনার অতিরিক্ত ওজন খুব সহজেই কমিয়ে ফেলতে পারেন। এবং নিজের শরীরকে রাখতে পারেন ফিট এবং সুস্থ।

ওজন কমানোর খাবার তালিকা

টপিকটি দেখে আপনি হয়তো ভাবতে পারেন যে মানুষ তো ওজন বাড়ানোর জন্য খাবার তালিকা দিয়ে থাকে। তাহলে ওজন কমানোর আবার খাবার তালিকা কোন গুলো। আজকে আমি সেই ওজন কমানোর খাবার তালিকা গুলো নিয়ে আপনাদের কাছে আলোচনা করবো। একটি পারফেক্ট ডায়েট চার্ট কমিয়ে ফেলতে পারে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ওজন। তাহলে চলুন জেনে নিন ওজন কমানোর খাবার তালিকা গুলো কি কি।
  • আপনি চাইলে সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে হালকা কুসুম গরম পানিতে একটি লেবুর রস মিশিয়ে খেয়ে নিতে পারেন। লেবুর রস এ থাকে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। এটি যেমন আপনার শরীরকে সুস্থ রাখে তেমনই আপনার শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলে।
  • সকালের খাবারে আপনি পুষ্টিকর জাতীয় খাবার খাবেন। কারণ পুষ্টিকর জাতীয় খাবার আপনার শরীরে শক্তি যোগাবে এবং আপনার শরীরের চর্বি কমিয়ে ফেলবে। সকালের খাবারের মধ্যে আপনি রাখতে পারেন একটি ডিম। কারণ ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। এ ছাড়া আপনি সেদ্ধ জাতীয় সবজি খেতে পারেন। কারণ সেদ্ধ সবজি আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকাংশে বৃদ্ধি করে দিবে।
  • সকালের খাবারের কয়েক ঘন্টা পরে আপনি চাইলে গ্রিন টি খেতে পারেন। কারণ গ্রিন টি একটি মানুষের শরীরের জন্য খুবই উপকারি। গ্রিন টি মানুষের শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলতে খুবই ভালো ভাবে সহযোগিতা করে থাকে।
  • খুব সহজে ওজন কমানোর জন্য আপনাকে দুপুরের খাবারের মধ্যে রাখতে হবে সালাদ জাতীয় খাবার। কারণ সালাদে সকল প্রকারের ভিটামিন জাতীয় উপাদান থাকে। যা আপনার শরীরকে রাখে ফিট এবং সুস্থ। এছাড়া দুপুরে খাবারের সময় ভাত একটু কম খাবার চেষ্টা করবেন। কারণ ভাতে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট থাকে। যার ফলে অতিরিক্ত ভাত খাওয়ার ফলে আপনার শরীরের ওজন অনেক দ্রুত বেড়ে যাবে। এছাড়া আপনি চেষ্টা করবেন ভাতের থেকে সবজি বেশি করে খাবার।
  • আপনি যখন একটি স্বাস্থ্যকর ডায়েট প্ল্যান এর মধ্যে থাকবেন তখন আপনি কখনোই তেল যুক্ত খাবার খাবেন না। কারণ তেল যুক্ত খাবারে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট। যা আপনার শরীরের চর্বি আরো বেশি বাড়িয়ে ফেলবে এবং আপনাকে আরো বেশি মোটা করে ফেলবে। তাই আজ থেকে চেষ্টা করুন তেল জাতীয় খাবার সম্পূর্ণরূপে বাদ দেওয়ার জন্য। এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের ফাস্টফুড জাতীয় খাবার রয়েছে যেমন পিৎজা, বার্গার, চিকেন এসব খাবার থেকে বিরত থাকুন। কারণ এসব খাবার আপনার শরীরের ওজন আরো বাড়িয়ে ফেলবে।
  • শরীরের ওজন কমানোর জন্য রাতের খাবারে কোন ভারী জাতীয় খাবার খাবেন না। রাতের খাবারে সব সময় হালকা জাতীয় খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন। এছাড়া আপনি রাতের খাবারের মধ্যেও সালাদ জাতীয় খাবার রাখতে পারে। কারণ সালাদ জাতীয় খাবার যেমন আপনার শরীরে নানান ধরনের পুষ্টির যোগান দিয়ে থাকে তেমনি আপনার ক্ষুধাও অনেকাংশ কমিয়ে ফেলবে। এছাড়া রাতে আবার খাওয়ার পরে সাথে সাথে ঘুমাতে যাওয়া থেকে বিরত থাকো। রাতে খাবার খাওয়ার পরে হালকা হাটাহাটি করার চেষ্টা করবেন।
উপরে যে নিয়মগুলো দেওয়া আছে আশা করি এসব নিয়ম পালন করার ফলে আপনি আপনার শরীরের অতিরিক্ত ওজন খুব সহজেই কমিয়ে ফেলতে পারবেন।

লেবু দিয়ে ওজন কমানোর উপায়

বিশেষজ্ঞদের মতে, লেবু হচ্ছে ওজন কমাতে সবথেকে ভালো কাজ করে। প্রচুর গরমের মধ্যে লেবু পানি খাওয়ার মাধ্যমে আপনার শরীরের পানি শূন্যতা দূর হতে পারে। আপনি চাইলে প্রতিদিন সকালে একটি করে লেবু হালকা কুসুম গরম পানির মধ্যে মিশিয়ে খেতে পারেন। এছাড়াও আপনি এই লেবু পানির মধ্যে হালকা মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। এভাবে খাওয়ার ফলে আপনার শরীরের যে অতিরিক্ত ফ্যাট বা চর্বি থাকবে আস্তে আস্তে সেটি অনেকাংশেই কমে যাবে। তবে আপনি কখনো একটি কাজ করবেন না সেটি হল এই লেবু পানির মধ্যে কোন প্রকার চিনি বা মিষ্টি জাতীয় কিছু মিশিয়ে খাবেন না। 

কারণ এ চিনি বা মিষ্টি জাতীয় কিছু মেশানোর ফলে হিতের বিপরীত হয়ে যাবে। কারণ এই চিনি বা মিষ্টি জাতীয় জিনিস আপনার শরীরের ওজন বাড়িয়ে ফেলবে। তাই আপনি যদি লেবু পানির মধ্যে কোন কিছু মিশাতে চান তাহলে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। লেবু পানি খাওয়ার মাধ্যমে এটি শরীরকে হাইড্রেট রাখে। অনেক গবেষকরা বলেছেন যে হাইড্রেশন এর মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত ওজন খুব সহজে কমানো যায়। তাই পরিশেষে বলা যায় যে শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে লেবু পানি খাবার কোন বিকল্প নেই।

পানি পান করলে কি ওজন কমে

আপনার মনে হয়তোবা একটি প্রশ্ন কখনো না কখনো এসেছে যে পানি পান করলে কি ওজন কমে। হ্যাঁ কিছু কিছু ক্ষেত্রে পানি পান করার মাধ্যমেও ওজন কমানো যায়। অনেক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে সকালে, দুপুরে বা রাতে খাবার খাওয়ার পূর্বে যদি পানি খাওয়া যায় তাহলে এর মাধ্যমে শরীরের ওজন কমানো সম্ভব। পানি আপনার ক্ষুধা কমিয়ে ফেলতে পারে। আপনি যদি খাবার খাওয়ার পূর্বে এক গ্লাস পানি খান তাহলে আপনার খাবার খাওয়ার পরিমাণ অনেকটা কমে যাবে। এবং এর ফলে আপনার শরীরে কম ক্যালরি যাবে এবং আপনার শরীরের অতিরিক্ত ওজন খুবই ভালোভাবে কমে যাবে। 

তবে আপনি ক্যালরি সমৃদ্ধ পানি খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। অনেকের একটি অভ্যাস থাকে যে খাবার খাওয়ার পরে বিভিন্ন ধরনের ড্রিঙ্কস পান করা। এই ড্রিংকসগুলোতে থাকে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট। যার কারণে এটি আপনার শরীরে তৈরি করতে পারে অতিরিক্ত চর্বি। ব্যায়াম করার পূর্বে পানি পান করবেন। কারণ এর ফলে শরীর আর্দ্র অবস্থায় থাকে। এছাড়া আপনি যদি অনেক বেশি পরিমাণে ঘামতে থাকেন তাহলে ঘন ঘন পানি পান করবেন।

ওজন কমানোর ব্যায়াম

ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ব্যায়াম খুবই ভালো ভাবে কাজ করে। ব্যায়াম করার মাধ্যমে আপনি আপনার শরীরকে রাখতে পারেন সুস্থ এবং ফিট। ওজন কমানোর ক্ষেত্রে ডায়েট করার পাশাপাশি ব্যায়াম করাটাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যায়াম করার ফলে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ওজন এবং চর্বি কমে যায়। ভাই আপনি নিয়মিত ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। তবে অনেকেই একটি বিষয় নিয়ে চিন্তিত থাকেন যে কোন ব্যায়ামগুলো করার মাধ্যমে শরীরের ওজন কমানো যায়। এবং না বুঝে ব্যায়াম করার ফলে অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি হতে পারে। তাই শরীরের ওজন কমানোর জন্য সঠিক ব্যায়ামগুলো জেনে নিন।

হাঁটাহাঁটি করাঃ শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমানোর জন্য হাঁটাহাঁটি করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হাঁটাহাঁটি করার মাধ্যমে আপনার শরীর যেমন সুস্থ থাকে তেমনি আপনার শরীরের অতিরিক্ত ওজনও কমিয়ে ফেলে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে, প্রতিদিন কমপক্ষে আধা ঘন্টা হাটাহাটি করুন। এতে করে আপনার শরীর থেকে অনেক ক্যালারি বার্ন হয় এবং আপনার অতিরিক্ত ওজন কমায়। এজন্য আপনি যদি নিয়ম করে সকাল এবং বিকাল হাঁটাহাঁটি করেন তাহলে এটি আপনার শরীরের জন্য অনেক উপকারী হয়ে উঠবে।

দড়ি লাফঃ যারা কর্মব্যস্ততার কারণে হাঁটাহাঁটি করার সময় পান না তারা চাইলে দড়ি লাফ খেলতে পারেন। এই দড়ি লাফের ফলে অনেক দ্রুত শরীর থেকে ক্যালরি বার্ন হয়। অনেক বিশেষজ্ঞরা বলেছেন যে, প্রতিদিন ১০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করার থেকে কোন মানুষ যদি প্রতিদিন 10 মিনিট লাফ দড়ি খেলে তাহলে শরীরের ওজন অনেক দ্রুত কমে যায়।

সাঁতারঃ সাঁতার কাটার মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত ওজন খুব সহজেই কমিয়ে ফেলা যায়। সাঁতার কাটের মাধ্যমে শরীরের ওজন যেমন কমানো যায় তেমনি এই সাঁতার কাটা শরীরকে ফিট অবস্থায় রাখে। এছাড়াও আপনার যদি শরীরে কোন অংশে ব্যথা থাকে তাহলে এই সাঁতার কাটার মাধ্যমে সেই ব্যথাগুলো সেরে যাবে। এছাড়া সাঁতার কাটার মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট গুলো অনেক শক্তিশালী হয়ে ওঠে। সাঁতার কাটার ফলে হৃদরোগ, স্ট্রোক সহ আরো নানান ধরনের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তাহলে আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যে সাঁতার কাটা আপনার জন্য কতটা জরুরি।

জগিংঃ শরীরের ওজন কমানোর জন্য এবং শরীরকে ফিট অবস্থায় রাখার জন্য জগিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আপনি যদি হাঁটার পাশাপাশি জগিং করেন তাহলে আপনার শরীর থেকে দ্রুত ক্যালোরি বার্ন হয়ে যাবে এবং আপনার অতিরিক্ত ওজন বা চর্বি কমে যাবে।

ব্যায়াম না করে ওজন কমানোর উপায়

শরীরের ওজন কমাতে ব্যায়ামের কোন বিকল্প নেই। ব্যায়াম মানুষের শরীরকে সুস্থ এবং ফিট রাখে। তবে অনেক মানুষ কর্মজীবী হয়ে যাওয়ায় এবং নিজেদের কর্মজীবনে ব্যস্ত থাকার কারণে ব্যায়াম করার সময় হয়ে উঠে না। যার ফলে তারা অনেক চিন্তার মধ্যে পড়ে যায় যে ব্যায়াম ছাড়া কিভাবে তারা তাদের অতিরিক্ত ওজন কমাবে। ব্যায়াম ছাড়া যদি অতিরিক্ত ওজন কমাতে চান তাহলে কিছু ট্রিক্স সম্পর্কে আপনাকে ফলো রাখতে হবে।
  • আপনি যে খাবার খাবেন সে খাবারগুলো ভালোভাবে চিবিয়ে খাওয়ার চেষ্টা করবেন। কারণ খাবার চিবিয়ে খাবার ফলে আপনার শরীরে অতিরিক্ত ওজন হবে না। এছাড়াও খাবার চিবিয়ে খাওয়ার ফলে আপনার খাবার হজম হতেও কোন প্রকার সমস্যা হবে না
  • অনেকেই একটি কাজ করে থাকেন যে তারা ওজন কমানোর জন্য সকালের খাবার খান না। তবে এটি কখনোই করা যাবে না। বিশেষ করে আপনি সকালের নাস্তা কখনোই বাদ রাখবেন না। সকালে আপনি চাইলে ভারী খাবার গ্রহণ করতে পারেন তবে দুপুরে বা রাতে কখনো ভারী খাবার গ্রহণ করবেন না। সকালের নাস্তায় বেশি বেশি করে প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়ার চেষ্টা করবেন।
  • কোন প্রকার ফাস্টফুড এবং ভাজাপোড়া জাতীয় খাবার একদম সম্পূর্ণরূপে বাদ দিয়ে দিবেন। তবে আপনার যদি একবারে সম্পূর্ণরূপে বাদ দিতে সমস্যা হয় তাহলে সপ্তাহে একদিনের বেশি এই ফাস্টফুড এবং ভাজা পড়ে জাতীয় খাবার খাবেন না। তবে এই ফাস্টফুড এবং ভাজাপোড়া জাতীয় খাবারের পরিমাণ যাতে বেশি না হয়ে যায় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
  • আপনি হয়তোবা আপনার সারাদিনের ব্যস্ততার কারণে ব্যায়াম করতে পারছেন না। তাই আপনি চাইলে হালকা হাঁটাহাঁটি করতে পারেন। যদি আপনাকে কোন কাজে কাছাকাছি কোথাও বাইরে যাওয়া লাগে তাহলে সেখানে গাড়িতে করে না গিয়ে হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে করে আপনার সারাদিনের হাটাহাটি ব্যায়ামটা হয়ে যাবে।
  • এছাড়া বেশি বেশি করে পানি পান করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সারাদিনে কমপক্ষে তিন লিটার পানি পান করার চেষ্টা করুন।

মেয়েদের দ্রুত ওজন কমানোর উপায়

এখন অনেক মেয়েরা তাদের অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চিন্তিত অবস্থায় থাকেন। কারণ অতিরিক ওজনের ফলে তাদের সৌন্দর্য অনেকাংশেই কমে যায়। এর জন্য তারা তাদের অতিরিক্ত ওজন কমানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সঠিক পদ্ধতি না জানার কারণে তারা তাদের অতিরিক্ত ওজন কমাতে পারে না। চলুন তাহলে জেনে নিন মেয়েদের অতিরিক্ত ওজন কিভাবে কমানো যায়।

মেয়েদের দ্রুত ওজন কমানোর জন্য সকালে ঘুম থেকে তাড়াতাড়ি উঠে ব্যায়াম করতে হবে। এছাড়া প্রতিদিন একটি ডায়েট চার্ট করতে হবে এবং সেটি সারাদিন ফলো করে চলতে হবে। কোন প্রকার তৈলাক্ত জাতীয় খাবার বা ভাজা পড়া জাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। দুপুরে বা রাতের খাওয়ারে বেশি ভারী জাতীয় খাবার খাওয়া যাবে না। মেয়েদের একটি অভ্যাস রয়েছে যে তারা প্রচুর পরিমাণে ফার্স্ট ফুড খায়। তাদেরকে এ ফাস্টফুড খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। সব সময় ঘুমিয়ে থাকা যাবে না কারণ অতিরিক্ত ঘুমানোর ফলে শরীরের ওজন বেড়ে যায়।

শেষ কথা

আপনি ইতিমধ্যে খুবই ভালোভাবে বুঝতে পেরেছেন যে কিভাবে আপনি চাইলে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ওজন এবং অতিরিক্ত চর্বি খুব সহজে কমিয়ে ফেলতে পারেন। এবং আপনি নিশ্চয়ই খুব সহজে ওজন কমানোর উপায় সম্পর্কে খুবই ভালোভাবে জেনে গেছেন। তাই উপরে যে নিয়মগুলো দেওয়া আছে আপনি প্রতিদিন সে নিয়ম গুলো মেনে চলার চেষ্টা করবেন তাহলে দেখবেন যে আপনার শরীরের অতিরিক্ত ওজন বা চর্বি খুব সহজে আপনি কমিয়ে ফেলতে পারছেন। তাহলে আজকের মতন এখানেই শেষ করলাম ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url